টেনশন-দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার ২০টি কাজ।

ইবাদত

টেনশন-দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার ২০টি কাজ।

১. দলীল-প্রমাণ ছাড়া বিনা কারণে টেনশন করবেন না। এতে অহেতুক | নিজের শান্তিকে নষ্ট করা হবে।

২. ছােট্ট জিনিসকে বড় করে ভেবে টেনশন ডেকে আনবেন না। ছােট জিনিস | ছােটই, তাকে বড় করে ভাববেন কেন?

৩. রােগ-ব্যধিকে আল্লাহর নেয়ামত ভাবুন। এ নিয়ে টেনশন করবেন না । | বরং আল্লাহর নেয়ামত ভেবে তাতে সুখ অনুভব করার চেষ্টা করুন।

৪. মৃত্যুকে স্বাভাবিক ভাবুন। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা-টেনশন করবেন না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করে কেউ কোনাে দিন এ থেকে মুক্তি পায়নি, কোনাে দিন। মুক্তি পাবেও না।

৫. যত মানুষ তত মত। অতএব নিজের মতের সাথে অন্যদের মিল না। হওয়ার কারণে টেনশন করবেন না।

৬. ইখলাসের সঙ্গে সবকাজ করুন। অন্যদের থেকে কৃতজ্ঞতা না পেলে তা নিয়ে টেনশন করবেন না।

৭. জীবনে যা যা পাওয়া গেছে তা চিন্তা করে কৃতজ্ঞ থাকুন। কোন কিছু না পাওয়া নিয়ে টেনশন করবেন না।

৮. বর্তমান নিয়ে ভাবুন। অতীতের কোন ব্যর্থতা বা প্রতিকূল কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা-টেনশন করবেন না।

৯. ভবিষ্যতের বিপদ-আপদ ও প্রতিকূলতা নিয়ে খুব বেশি ভাববেন না। ভবিষ্যতের বিষয় আল্লাহর ওপর ন্যস্ত রাখুন, সে ব্যাপারে আপনার তেমন। কিছু করণীয় নেই। শরীয়তের আলােকে ভবিষ্যতের ব্যাপারে কিছু করার। থাকলে তা করুন।

১০. নিজেকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলুন। কেউ ভাল চোখে দেখল না- তা। নিয়ে টেনশন করবেন না ।

১১. পাছে লােকে কী বলে- এ নিয়ে টেনশন করবেন না। পাছের লােকদের মুখ কোনাে দিন বন্ধ করা যায় না।

১২. সাধ্যের বাইরের জিনিস নিয়ে টেনশন করবেন না। সাধ্যের বাইরে কোনাে বিষয়ে আল্লাহ আপনাকে কোন দায়িত্ব দেননি, আপনি সে। দায়িত্ব নিজের ঘাড়ে চাপাতে চান কেন?

১৩. মনে হাছাদ বা পরশ্রীকাতরতাকে স্থান দিবেন না। অন্যের ভাল কিছু | দেখে টেনশন করবেন না। 

১৪. অপরাধ থেকে বিরত থাকুন। তাহলে নিজের কৃত অপরাধের কারণে টেনশন করতে হবে না। 


১৫. যিকির করুন, মনে প্রশান্তি থাকবে। কারণ-জানা-নেই এমন টেনশন। | আসবে না। তা ছাড়া যিকিরের অন্যান্য ফায়দা তাে রয়েছেই। 


১৬. অভাব-অনটনকে শাস্তি হিসাবে এবং কষ্টের বিষয় হিসাবে দেখবেন না | বরং ফযীলতের বিষয় হিসাবে দেখবেন, তাহলে অভাব-অনটনের কারণে টেনশন হবে না ।

১৭. ইসলামের দৃষ্টিতে বিপদ-আপদের যে তাৎপর্য রয়েছে তা স্মরণে রাখুন, | তাহলে বিপদ-আপদ নিয়ে টেনশন হবে না।

১৮, সাধ্য অনুযায়ী ছেলে-মেয়ের ব্যাপারে দায়িত্ব পালন করুন, তারপর তাদের কী হল বা কী হবে তা নিয়ে বেশি ভাববার প্রয়ােজন নেই। এরূপ চিন্তা ছেলে-মেয়ে নিয়ে টেনশন থেকে মুক্তি দিবে।

১৯. রূপ না থাকার মধ্যে যে কল্যাণ রয়েছে তা নিয়ে ভাবুন, তাহলে রূপ না থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন।

২০. টেনশনের ক্ষতিগুলাে নিয়ে ভাববেন তাহলে টেনশন করার প্রবৃত্তি দমিত হবে। টেনশনের বহুবিধ ক্ষতি থাকা সত্ত্বেও কেন আপনি টেনশন করে নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *