শিশুর জন্মকালীন করণীয় কি ?

শিশুর জন্মকালীন করণীয় কি ?

দাম্পত্য টিপস

সন্তানকে ভাল বানানোর জন্য তার জন্মের সময়ও কিছু করণীয় রয়েছে। এবং তারপরেও ধীরে ধীরে অনেক কিছু করণীয় রয়েছে। যখন সন্তান জন্মগ্রহণ করে, তখন সুন্নাত হল সন্তানের কানে আযান ইকামতের শব্দাবলী শোনানো ।

ডান কানে আযানের শব্দগুলো, বাম কানে ইকামতের শব্দগুলো শোনাতে হয়। জন্মের শুরু থেকেই তার কানে যেন আল্লাহ, আল্লাহর রসূলের কথা এবং সবচেয়ে উত্তম ইবাদত নামাযের কথা প্রবেশ করে। যদিও এখন সে কিছুই বোঝে না, তা স্বত্ত্বেও এর দ্বারা তার মনের মধ্যে আল্লাহ ও আল্লাহর রসূলের নাম এবং আযান ইকামতের সুন্দর কথাগুলো আছর হবে। শুরু থেকেই তার মনে আল্লাহ, আল্লাহর রসূলের নাম ও কালিমা ইবাদতের সু-প্রভাব পড়বে।

যদিও ঐ শিশু তখন আযান ইকামতের মর্ম বুঝতে সক্ষম নয়, তবুও তার মনে আযান ইকামতের মধ্যে কথিত আল্লাহ আল্লাহর রসূলের নাম ও ইবাদতের কথার সু-প্রভাব পড়বে। নামাযের জন্য যেমন দাঁড়িয়ে কানে আঙ্গুল দিয়ে আযান দেয়া হয় বা নামাযের জন্য যেভাবে ইকামত দেয়া হয়, সন্তানের জন্য আযান-ইকামত দেয়ার নিয়ম সেরকম নয় বরং ডান কানে শুধু আযানের শব্দগুলো আর বাম কানে ইকামতের শব্দগুলো শুনিয়ে দিতে। হয়। ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি সুন্নাত।

নবজাতকের কানে আযান ইকামতের শব্দাবলী শোনানোর পর কোনো দ্বীনদার বুযুর্গ দ্বারা খেজুর বা কোনো মিষ্টদ্রব্য চিবিয়ে তার সামান্যটুকু ঐ নবজাতকের মুখের মধ্যে তালুতে লাগিয়ে দিতে হবে। একে বলা হয়। ‘তাহনীক’ । এটি করা সুন্নাত। এতে করে বুযুর্গের মুখের লালার মাধ্যমে বুযুর্গীর সু-প্রভাব নবজাতকের মধ্যে অনুপ্রবিষ্ট হবে।

হাদীছে এসেছে- হযরত আয়েশা (রা.) বয়ান করেছেন,

إن رشول الله صلى الله عليه وسلم كان يؤتى بالصبيان، فيبر عليهم وينكهم. الحديث. (رواه مسلم في باب حکم بول الطفل الرضيع حديث رقم

 অর্থাৎ, রসূল (সা.)-এর কাছে নবজাতকদের আনা হত। তিনি তাদের। জন্য বরকতের দুআ করতেন এবং তাদের তাহনীক করতেন। (মুসলিম)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *